সংবাদ শিরোনাম:
» « আ’লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিমের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা মেয়র নির্বাচিত হলে পৌরসভাকে দূর্নীতি- রাজনীতি ও আমার পরিবারমুক্ত রাখব-আতাউর রহমান সেলিম» « আজমিরীগঞ্জ বাজারে অভিযান ॥ ৬ গ্যাস ব্যবসায়ীকে ১৭ হাজার টাকা জরিমানা» « মাধবপুরে ৫ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা» « চুনারুঘাটে উপজেলা পরিষদ এসোসিয়েশনের মতবিনিময়» « পুুলিশি ধরা-পাকরের অভিযোগ বিদ্রেহাী মেয়র প্রার্থী মিজানের» « মাধবপুরে প্রেমের ফাঁদে ফেলে কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ» « লাখাইয়ে রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে ব্যবসা ॥ জরিমানা» « হবিগঞ্জ শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান যুবলীগ নেতাসহ ৬ জন আটক» « বাহুবলে হাইওয়ে পুলিশের অভিযানে মহাসড়কের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ» « মেয়র প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিমকে জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সমর্থন

আজ হবিগঞ্জসহ সারা দেশে একসঙ্গে ঘর পাচ্ছে ৭০ হাজার পরিবার

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ বছরের পর বছর ঘর না থাকার কষ্টের জীবন শেষ হতে যাচ্ছে ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষের। বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে ঘোষিত মুজিব বর্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে আধা পাকা ঘর এবং জমি পাচ্ছেন এসব মানুষ। চলমান কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ে আজ শনিবার প্রায় ৭০ হাজার পরিবার পাবে আধা পাকা ঘর। এটিই বিশ্বে গৃহহীন মানুষকে বিনামূল্যে ঘর করে দেওয়ার সবচেয়ে বড় কর্মসূচি। এর মধ্য দিয়ে পৃথিবীতে নতুন ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সংশ্লিষ্টরা জানান, গৃহহীন-ভূমিহীনদের ঘর করে দেওয়ার এত বড় কর্মসূচি পৃথিবীতে আর একটিও নেই। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা উপকারভোগীদের ঘর বুঝিয়ে দেবেন। মুজিব বর্ষের মধ্যে সবার জন্য ঘর নিশ্চিত করতে পর্যায়ক্রমে প্রায় ৯ লাখ পরিবারকে ঘর করে দেবে শেখ হাসিনার সরকার। দেশে ভূমিহীন ও গৃহহীন অসহায় মানুষদের মধ্যে যাদের ভূমি নেই তাদের সরকারের খাস জমি থেকে ২ শতাংশ ভিটে এবং ঘর দিচ্ছে সরকার। যাদের ভিটে আছে ঘর নাই তাদের ঘর দিচ্ছে সরকার। প্রতিটি ঘর দুই কক্ষ বিশিষ্ট। এতে দুটি রুম ছাড়াও সামনে একটি বারান্দা, একটি টয়লেট, একটি রান্নাঘর এবং একটি খোলা জায়গা থাকবে। পুরো ঘরটি নির্মাণের জন্য খরচ হবে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা এবং মালামাল পরিবহনের জন্য ৪ হাজার টাকা দেওয়া হবে প্রতি পরিবারকে। বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, খুলনার বিভিন্ন অঞ্চলে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের কাছে হস্তান্তর করতে প্রস্তুত এসব ঘর। যারা প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পাচ্ছেন তাদের চোখে-মুখে খুশির ঝিলিক। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তারা। সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ইশ্বরিপুর ইউনিয়নের স্বামী পরিত্যক্তা মর্জিনা বেগম বাংলানিউজকে বলেন, এক মেয়ে নিয়ে বাঁশের কঞ্চির বেড়ার ঝুপড়িতে থাকি। দিন মজুর খেটে কোনো রকমে জীবন চলছে। নিজের একটা ঘর হবে কোনোদিন ভাবিনি। প্রধানমন্ত্রীকে দোয়া করি তিনি আমাদের ঘর দিয়েছেন, জমি দিয়েছেন। সাতক্ষীরা সদরের দিনমজুর অরবিন্দ গাইন বলেন, আগে সরকারি খাস জমিতে খড়ের চালার ঘরে থাকতাম। নিজের ঠিকানা ছিল না। শেখের বেটি আমাদের ঘর ও জমি দিয়েছেন, শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ। আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প পরিচালক মো. মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের জানান, মুজিব বর্ষে কেউ গৃহহীন থাকবে না- সরকারের এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ২৩ জানুয়ারি প্রথম পর্যায়ে সারাদেশে ৬৯ হাজার ৯০৪ ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে ঘর দিচ্ছে সরকার। ২৩ জানুয়ারি ৬৬ হাজার ১৮৯টি ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে ২ শতাংশ খাস জমির মালিকানা দিয়ে বিনা পয়সায় দুই কক্ষবিশিষ্ট ঘর মুজিববর্ষের উপহার হিসেবে প্রধানমন্ত্রী প্রদান করবেন। একইসঙ্গে ব্যারাকের মাধ্যমে ২১টি জেলার ৩৬টি উপজেলায় ৪৪ প্রকল্পের মাধ্যমে ৩ হাজার ৭১৫টি পরিবারকে ব্যারাকে পুনর্বাসন করা হবে বলে জানান মাহবুব হোসেন। তিনি বলেন, সারা দুনিয়াতে এটি প্রথম ঘটনা এবং একমাত্র ঘটনা একসঙ্গে বিনে পয়সায় এত ঘর করে দেওয়া। মাদার অব হিউম্যানিটি সারা দুনিয়াতে একটি নজির স্থাপন করলেন। আজ ২৩ জানুয়ারি প্রায় ৬৯ হাজার পরিবারকে ঘর দেওয়ার পর থেকে আগামী ১ মাসের মধ্যে আরও ১ লাখ ঘর নির্মাণের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হবে বলেও জানান মাহবুব হোসনে। সারা বাংলাদেশে ঘরও নাই, জমিও নাই এমন পরিবারের সংখ্যা ২ লাখ ৯৩ হাজার ৩৬১। ভিটেমাটি আছে, ঘর জরাজীর্ণ কিংবা ঘর নাই এমন পরিবারের সংখ্যা ৫ লাখ ৯২ হাজার ২৬১। মুজিববর্ষ উপলক্ষে সারা বাংলাদেশে যে তালিকা করা হয়েছে সব মিলিয়ে সেই তালিকায় ৮ লাখ ৮৫ হাজার ৬২২টি পরিবার রয়েছে। আশ্রয়ণ প্রকল্পের নথি থেকে জানা যায়, ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবার পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তত্ত্বাবধানে আশ্রয়ণ নামে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় একটি প্রকল্প গ্রহণ করে। এই প্রকল্পের আওতায় ১৯৯৭ সাল থেকে ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাস অবধি ৩ লাখ ২০ হাজার ৫২টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়। আশ্রয়ণ প্রকল্পের উদ্দেশ্য হলো- ভূমিহীন, গৃহহীন, ছিন্ন অসহায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন, ঋণপ্রদান ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহে সক্ষম করে তোলা এবং আয় বাড়ে এমন কার্যক্রম সৃষ্টির মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরণ।

নিউজটি 45 বার পড়া হয়েছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বশেষ সংবাদ

আ’লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিমের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা মেয়র নির্বাচিত হলে পৌরসভাকে দূর্নীতি- রাজনীতি ও আমার পরিবারমুক্ত রাখব-আতাউর রহমান সেলিম

আজমিরীগঞ্জ বাজারে অভিযান ॥ ৬ গ্যাস ব্যবসায়ীকে ১৭ হাজার টাকা জরিমানা

মাধবপুরে ৫ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা

চুনারুঘাটে উপজেলা পরিষদ এসোসিয়েশনের মতবিনিময়

পুুলিশি ধরা-পাকরের অভিযোগ বিদ্রেহাী মেয়র প্রার্থী মিজানের

মাধবপুরে প্রেমের ফাঁদে ফেলে কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

লাখাইয়ে রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে ব্যবসা ॥ জরিমানা

হবিগঞ্জ শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান যুবলীগ নেতাসহ ৬ জন আটক

বাহুবলে হাইওয়ে পুলিশের অভিযানে মহাসড়কের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

মেয়র প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিমকে জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সমর্থন

মেয়র প্রার্থী শামছুল হুদা’র নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা

বানিয়াচঙ্গে এক মাদ্রাসা ছাত্র নিখোঁজ ॥ পরিবারের উদ্বেগ

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অবাধে পাহাড় ও গাছ কাটা বন্ধ করতে হবে

বাহুবলে পুলিশের মোটরসাইকেলে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ৬’শ জনের বিরুদ্ধে মামলা ॥ আটক ৫

বাহুবলে প্রেমের টানে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে প্রেমিক-প্রেমিকা নিরুদ্দেশ

মাধবপুরে ৬ কেজি গাঁজাসহ র‌্যাবের হাতে যুবক গ্রেফতার

প্রবীণ চিকিৎসক খোকা ডাক্তারের মৃত্যুতে এমপি আবু জাহিরসহ বিভিন্ন সংগঠনের শোক প্রকাশ

নৌকার পক্ষে ৮ম দিনের মত ভোট প্রার্থনা আইনজীবীদের

শহরে মোটরসাইকেল চোর চক্রের ২ সদস্য আটক ॥ কারাগারে প্রেরণ

শায়েস্তাগঞ্জে স্কুলছাত্র তানভীর হত্যার প্রতিবাদে শোকসভা

সম্পাদক ও প্রকাশক ॥ মোঃ ইসমাইল হোসেন
প্রাইম অফসেট প্রিন্টিং প্রেস পৌর মার্কেট হবিগঞ্জ থেকে মুদ্রিত ও গার্নিং পার্ক হবিগঞ্জ হতে প্রকাশিত।।
মোবাইল ॥ ০১৭১৫-০০২৮৮৬
ইমেইল- swadeshbarta.hob@gmail.com
website : www.swadeshbarta.com