সংবাদ শিরোনাম:
» « কারা আসছেন হবিগঞ্জ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে?» « শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে ব্যাপক কার্যক্রম হাতে নিয়েছি : শিক্ষামন্ত্রী» « উৎসবমুখর পরিবেশে লাখাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত সম্মেলন আয়োজনের মাধ্যমে সংগঠন সুসংগঠিত হবে ॥ এমপি আবু জাহির» « শাবিপ্রবির দরিদ্র শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়ালেন অ্যাডভোকেট আবুল খায়ের» « আজমিরীগঞ্জে কৃষকের আক্ষেপ ‘সরকার দেখে না, আর গিরস্থি করতাম না’» « অভিবাসীদের মাধ্যমে বাংলাদেশে এইডসের ঝুঁকি বাড়ছে» « বিশেষজ্ঞদের নাগরিকত্ব দেবে সৌদি» « ৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা শফিক আর নেই» « মানবিক কারণে নিকটাত্মীয়কে কিডনি দেওয়া যাবে ॥ হাইকোর্ট» « পৃথিবীর অনেক দেশের তুলনায় আমরা মেধাবী: তথ্যমন্ত্রী

মাধবপুরে শিল্পবর্জ্যে দূষণের কবলে অতিষ্ঠ ১০/১২ গ্রামের মানুষ

মাধবপুর প্রতিনিধি ॥ মাধবপুর উপজেলার ছাতিয়ান ইউনিয়নের এক্তিয়ারপুর, শ্রীমৎ পুর, দাসপাড়া, গোপীনাথপুর, ছাতিয়াইন গ্রামসহ দশ-বারোটি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ শিল্পবর্জ্যে দূষণের কবলে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। অসহনীয় দুর্গন্ধ এবং জীবন-জীবিকা হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে। ওই এলাকার গ্রামবাসীর আহবানে বাংলাদেশ পরিবেশ অন্দলন (বাপা) হবিগঞ্জের একটি প্রতিনিধিদল গতকাল সোমবার এক্তিয়ারপুর খালসহ তৎসংলগ্ন এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে বাপা প্রতিনিধিদল দেখতে পান কারখানার বর্জ্য এক্তিয়ারপুর খালে নিক্ষেপের ফলে কালো কুচকুচে হয়ে পড়েছে পানি। এ সময় খালের পানিতে মৃত মোরগ ভাসতে দেখা যায়। এলাকাবাসী জানান বিষাক্ত এ পানি ব্যবহার করে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে চর্মরোগসহনানান রোগে আর হাঁস-মুরগি গবাদি পশু মারা যাচ্ছে হরহামেশা। গ্রামবাসী জানান “মার লিমিটেড” নামক কারখানার নিক্ষিপ্ত বর্জ্য মানুষের জীবন এবং জীবিকাকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। মারাত্মক দুর্গন্ধ বাড়ি ঘরে থাকা যাচ্ছে না। এক্তিয়ারপুর খালটি দূষণের মাত্রা চরমে পৌঁছেছে। ফলে কৃষিকাজ সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজের জন্য খালের পানি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) হবিগঞ্জের সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল সোহেল বলেন,কোন কলকারখানা উৎসে বর্জ্য পরিশোধন ব্যবস্থা নিশ্চিত না করে শিল্প বর্জ্য কারখানার অভ্যন্তরে কিংবা বাহিরে কোন অবস্থায় ফেলতে পারেনা। এটি দেশের প্রচলিত আইন ও বিধি বিধানের পরিপন্থী। কিন্তু আমরা দেখছি কয়েক বছর ধরে এই অঞ্চলে গড়ে ওঠা কল কারখানা গুলো নদী-খাল-কৃষিজমি সহ যত্রতত্র শিল্প বর্জ্য নিক্ষেপ করে মানুষের জীবনকে বিপন্ন করে তুলেছে। মার লি: নামক কারখানার বর্জ্য নিক্ষেপের ফলে হাজার হাজার মানুষ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বর্জ্যে এলাকার মানবিক বিপর্যয় নেমে আসায় গ্রামবাসীদের সাথে নিয়ে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) আন্দোলন-সংগ্রাম করে। আন্দোলনের এক পর্যায়ে ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর জেলা প্রশাসন পরিবেশ বিষয়ক বৈঠক করে। পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক এর উপস্থিতিতে মার লিমিটেড নামক কারখানাটির উৎসে বর্জ্য পরিশোধন (ইটি পি) না থাকায় এবং কারখানার বর্জ্য খালের মাধ্যমে কৃষি জমিসহ নদীতে নিক্ষেপ করার ফলে কারখানাটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়। কিন্তু কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানা বন্ধ না করে চালু রাখে এবং গ্রামবাসীর সঙ্গে কারখানা কর্তৃপক্ষের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে ২০১৬ সালের ৩ জানুয়ারি মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কক্ষে গ্রামবাসী, বাপা ও কারখানা মালিক কর্তৃপক্ষ এর বৈঠকে যথাযথ ভাবে উৎসে বর্জ্য পরিশোধন ব্যবস্থা নিশ্চিত করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে কারখানা পরিচালনার অঙ্গীকার করলেও কিছুদিন যেতে না যেতেই প্রথমে রাতের আঁধারে এবং পরবর্তীতে কোন ধরনের আইন কানুনের তোয়াক্কা না করে কারখানা চালু রেখে বর্জ্য এক্তিয়ারপুর খালের মাধ্যমে খাস্টি এবং বেলেশরী নদীতে ফেলা হচ্ছে। বিষাক্ত বর্জ্য হাওড়া মাছসহ জলজ প্রাণী কে ধ্বংস করে দিচ্ছে। মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে চর্মরোগসহ নানান অসুখে। অনতিবিলম্বে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রতি আহ্বান জানান। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন বাপা হবিগঞ্জের সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল সোহেল , সদস্য শেখ আব্দুলল্লহ মোশাহিদ, ডা: আলী হাসান চৌধুরী পিন্টু, আমিনুল ইসলাম হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার এক্তিয়ারপুর, শ্রীমৎ পুর, দাসপাড়া, গোপীনাথপুর, ছাতিয়াইন গ্রামসহ ১০/১২টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ শিল্পবর্জ্যে দূষণের কবলে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।অসহনীয? দুর্গন্ধ এবং দূষণে জীবন-জীবিকা হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে। ওই এলাকার গ্রামবাসীর আহবানে বাংলাদেশ পরিবেশ অন্দলন (বাপা) হবিগঞ্জের একটি প্রতিনিধিদল গতকাল সোমবার এক্তিয়ারপুর খালসহ তৎসংলগ্ন এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে বাপা প্রতিনিধিদল দেখতে পান কারখানার বর্জ্য এক্তিয়ারপুর খালে নিক্ষেপের ফলে কালো কুচকুচে হয়ে পড়েছে পানি। এ সময় খালের পানিতে মৃত মোরগ ভাসতে দেখা যায়। এলাকাবাসী জানান বিষাক্ত এ পানি ব্যবহার করে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে চর্মরোগসহ নানান রোগে আর হাঁস-মুরগি গবাদি পশু মারা যাচ্ছে হরহামেশা। গ্রামবাসী জানান “মার লিমিটেড” নামক কারখানার নিক্ষিপ্ত বর্জ্য মানুষের জীবন এবং জীবিকাকে দুর্বিষহ করে তুলেছে।মারাত্মক দুর্গন্ধ বাড়ি ঘরে থাকা যাচ্ছে না। এক্তিয়ারপুর খালটি দূষণের মাত্রা চরমে পৌঁছেছে। ফলে কৃষিকাজসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজের জন্য খালের পানি ব্যবহার করা যাচ্ছে না। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) হবিগঞ্জের সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল সোহেল বলেন,কোন কলকারখানা উৎসে বর্জ্য পরিশোধন ব্যবস্থা নিশ্চিত না করে শিল্পবর্জ্য কারখানার অভ্যন্তরে কিংবা বাইরে কোন অবস্থায় ফেলতে পারেনা। এটি দেশের প্রচলিত আইন ও বিধি বিধানের পরিপন্থী। কিন্তু আমরা দেখছি কয়েক বছর ধরে এই অঞ্চলে গড়ে ওঠা কল কারখানা গুলো নদী-খাল-কৃষিজমিসহ যত্রতত্র শিল্প বর্জ্য নিক্ষেপ করে মানুষের জীবনকে বিপন্ন করে তুলেছে ।ম ার লি: নামক কারখানার বর্জ্য নিক্ষেপের ফলে হাজার হাজার মানুষ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বর্জ্যে এলাকার মানবিক বিপর্যয় নেমে আসায় গ্রামবাসীদের সাথে নিয়ে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) আন্দোলন-সংগ্রাম করে। আন্দোলনের এক পর্যায়ে ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর জেলা প্রশাসন পরিবেশ বিষয়ক বৈঠক করে। পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক এর উপস্থিতিতে মার লিমিটেড নামক কারখানাটির উৎসে বর্জ্য পরিশোধন (ইটি পি) না থাকায়  এবং কারখানার বর্জ্য খালের মাধ্যমে কৃষি জমিসহ নদীতে নিক্ষেপ করার ফলে কারখানাটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়। কিন্তু কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানা বন্ধ না করে চালু রাখে এবং গ্রামবাসীর সঙ্গে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে ২০১৬ সালের ৩ জানুয়ারি মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কক্ষে গ্রামবাসী, বাপা ও কারখানা মালিক কর্তৃপক্ষ এর বৈঠকে কারখানার মালিক পক্ষ যথাযথ ভাবে উৎসে বর্জ্য পরিশোধন ব্যবস্থা নিশ্চিত করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে কারখানা পরিচালনার অঙ্গীকার করলেও কিছুদিন যেতে না যেতেই প্রথমে রাতের আঁধারে এবং পরবর্তীতে কোন ধরনের আইনের তোয়াক্কা না করে কারখানা চালু রেখে বর্জ্য এক্তিয়ারপুর খালের মাধ্যমে খাস্টি এবং বেলেশরী নদীতে ফেলা হচ্ছে। বিষাক্ত বর্জ্য হাওড়া মাছসহ জলজ প্রাণী কে ধ্বংস করে দিচ্ছে। মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে চর্মরোগসহ নানান অসুখে। পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন বাপা হবিগঞ্জের সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল সোহেল , সদস্য শেখ আব্দুল্লাহ মোশাহিদ, ডা: আলী হাসান চৌধুরী পিন্টু, আমিনুল ইসলাম গ্রামবাসীদের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন মোঃ আব্দুল কাইয়ুম, মো: ছফিল আহমেদ সোহেল, মো: হেলাল মিয়া, মো: শামসুদ্দিন তালুকদার, ডা: মো: রুকু মিয়া প্রমুখ।

Share on Facebook
নিউজটি 7 বার পড়া হয়েছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বশেষ সংবাদ

কারা আসছেন হবিগঞ্জ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে?

শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে ব্যাপক কার্যক্রম হাতে নিয়েছি : শিক্ষামন্ত্রী

উৎসবমুখর পরিবেশে লাখাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত সম্মেলন আয়োজনের মাধ্যমে সংগঠন সুসংগঠিত হবে ॥ এমপি আবু জাহির

শাবিপ্রবির দরিদ্র শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়ালেন অ্যাডভোকেট আবুল খায়ের

আজমিরীগঞ্জে কৃষকের আক্ষেপ ‘সরকার দেখে না, আর গিরস্থি করতাম না’

অভিবাসীদের মাধ্যমে বাংলাদেশে এইডসের ঝুঁকি বাড়ছে

বিশেষজ্ঞদের নাগরিকত্ব দেবে সৌদি

৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা শফিক আর নেই

মানবিক কারণে নিকটাত্মীয়কে কিডনি দেওয়া যাবে ॥ হাইকোর্ট

পৃথিবীর অনেক দেশের তুলনায় আমরা মেধাবী: তথ্যমন্ত্রী

নবীগঞ্জে বিজয়ের মাসে চলে গেলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা চরণ দাশ

এসএ গেমসে ভুটানকে ১০ উইকেটে হারাল বাংলাদেশ

বাজারে নতুন পেঁয়াজ উঠলেও দাম কমছে না

বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব বাতিলের দাবিতে গণস্বাক্ষর আজ

হবিগঞ্জে মেডিকেল কলেজে দুর্নীতি তদন্তে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ॥ ১৫ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন

দুর্নীতি বিরুদ্ধে অভিযান চলমান থাকবে ॥ কাদের

আজ ৬ই ডিসেম্বর নবীগঞ্জ মুক্ত দিবস

যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেলেন আরো ৫১ জন

শায়েস্তাগঞ্জে অরক্ষিত বধ্যভূমি সংস্কারের উদ্যোগ

চুনারুঘাটে ৫ লক্ষাধিক টাকার কাঠ উদ্ধার ॥ দুটি স’মিল জব্দ

সম্পাদক ও প্রকাশক ॥ মোঃ ইসমাইল হোসেন
প্রাইম অফসেট প্রিন্টিং প্রেস পৌর মার্কেট হবিগঞ্জ থেকে মুদ্রিত ও গার্নিং পার্ক হবিগঞ্জ হতে প্রকাশিত।।
মোবাইল ॥ ০১৭১৫-০০২৮৮৬
ইমেইল- swadeshbarta.hob@gmail.com
website : www.swadeshbarta.com