সংবাদ শিরোনাম:
» « হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেন ঝাড়ুদার! একই সূই দিয়ে সেলাই করলে কোন সমস্যা হয়না দাবি হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের» « উন্নয়নের স্বার্থে আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে হবে ॥ এমপি আবু জাহির» « হবিগঞ্জ জেলা আ. লীগের সম্মেলন: সাধারণ সম্পাদক পদে আরও ৩ নতুন মুখ» « শারমিন রুম্পার কথিত প্রেমিক সৈকত চার দিনের রিমান্ডে» « নবীগঞ্জে ৫ পলাতক আসামী গ্রেফতার» « বানিয়াচংয়ে এক কিশোরী ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা আদালতে পিতা-পুত্রের বিরুদ্ধে মামলা» « দুর্নীতি করলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না : দুদক চেয়ারম্যান» « রুদ্ধশ্বাস ফাইনালে সোনা জিতলো বাঘিনীরা» « ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে মালয়েশিয়া থেকে অবৈধ বাংলাদেশিদের ফিরতেই হবে» « শীতের সন্ধ্যায় হবিগঞ্জের অলি-গলিতে পিঠা উৎসব

বাহুবল মুক্ত দিবস কবে জানে না কেউ ?

বাহুবল প্রতিনিধি ॥ হবিগঞ্জের বাহুবল মুক্ত দিবস কবে জানে না কেউ। জানেনা খোদ প্রশাসন। মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝেও রয়েছে বিভক্তি। কেউ বলে পহেলা ডিসেম্বর, কেউ বলে ৪ ডিসেম্বর আবার কেউ ৭ বা ৮ ডিসেম্বর। তাহলে কি মুক্ত হয়নি বাহুবল ? হয়েছে মাত্র দেড় ঘন্টা যুদ্ধে মুক্ত হয়েছিল বাহুবল। মুক্তিযোদ্ধের সামরিক অভিযান দ্বিতীয় খন্ডে লিখা হয়েছে পহেলা ডিসেম্বর মুক্ত হয়েছিল বাহুবল। মুক্তিযোদ্ধের সামরিক অভিযান দ্বিতীয় খন্ড থেকে নেওয়া প্রাপ্ত তথ্যমতে, নভেম্বর মাসের শেষের দিকেও বাহুবল সদর নিয়ন্ত্রণ করছিল পাকিস্থানী বাহিনী। অথচ এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। তাই বাহুবল মুক্ত করার একটি পরিকল্পনা করা হয়। ৪ নম্বর সেক্টরে এ পরিকল্পনা প্রণীত হয়। অপারেশন করার দায়িত্ব গ্রহন করেন মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাইয়ূম। সাথে ছিলেন তার সহযোদ্ধা এম এ রউফ, আব্দুল গণি, মাফিল উদ্দিন, সময়না মিয়াসহ ্আরো ৩০ জন। হাতে তাদের সেই প্রচলিত অস্ত্র রাইফেল, স্টেনগান,এসএমজি,এলএমজি ও গ্রেনেড। পরিকল্পনা অনুযায়ী মানচিত্র ও পথপ্রদর্শক ইত্যাদি সংগ্রহ করার পর রওয়ানা হলেন তারা। মুক্তিযোদ্ধাদের এ দলটি কোনরকম বাধাবিপত্তি ছাড়াই বাহুবলের কাছে খাড়াউড়া গ্রামে পৌছে যায়।এখানে থাকার ব্যবস্থা হল তাদের। আহার সরবরাহের দায়িত্ব এলাকার চনগণ তাদের কাধে তুলে নিলেন। এখানে অবস্থান নেয়ার পর বাহুবল সম্পর্কে আরো কিছু তথ্য সংগ্রহ করে আক্রমনের দিন তারিখ র্নিধারন করা হল। তখনো বাহুবল থানার সামনেই শক্ররা তাদের ঘাটি হিসাবে ব্যবহার করছিল। পহেলা ডিসেম্বর রাত ৪টার দিকে এ ভবনের সামনে এসে অবস্থান করেন ৩০ জন মুক্তিযোদ্ধা। এর আগে তারা রাত ৮টায় খাাগাউড়া থেকে রওয়ানা দিয়ে ৫ কিলোমিটার নৌকাায় ও দেড় কিলোমিটার পায়ে হেটে গন্তব্যস্থলে পৌছান। ভবনের পূর্ব ও দক্ষিন দিকে অবস্থান করলেন তারা। তারপর নির্দিষ্ট সময়ে শুরু করে গুলিবর্ষণ। বিনিময়ে ভারী অস্ত্র দিয়ে পাকিস্থানীরা জবাব দেয়। শুরু হয় তুমুল যুদ্ধ। শেষ পর্যন্ত প্রবল ও প্রচন্ড গোলাবর্ষনের পরও শক্রুরা নিজেদের রক্ষা করতে পারেনি। মাত্র দেড় ঘন্টা যুদ্ধের পর তারা ঘাটি ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। তাদের দোসর ৩ জন মুক্তিযোদ্ধাদের হাদে ধরা পড়ে। বাহুবল শক্রুমুক্ত হয়। তবে এ যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের কোন ক্ষতি হয়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মুক্তিযোদ্ধা বলেন, আমার তো মনে হয় ৪ ডিসেম্বর। আরেক মুক্তিযোদ্ধা বলেন, বাবারে আমার নামটা লিখিছ না ৪ তারিখ যুদ্ধ শুরু করে ৮ তারিখ মুক্ত করছিলাম। তবে তিনি বলেন, এখনো রে বাবা পুরোটা মনে পড়ছে না। অন্য একজন মুত্তিযোদ্ধা বলেন, তারিখ মনে আছেনি বেটা। মুক্ত দিবস দিয়া কিতা করতায় আমরা যুদ্ধ কইরা স্বাধীন করছি, তোমরার অইছেনানি। এদিকে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে বাহুবল মুক্ত দিবস কবে এ নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে আলোচনার জড়। “উপজেলা প্রশাসন বাহুবল” আইডি থেকে বাহুবল মুক্ত দিবস কবে? শিরোনামে একটি স্ট্যাটাশ দিলে কমেন্টে শুরু হয় আলোচনা। ঋ জ ঐধৎরং ঝযবরশয নামের একজন লিখেন, ৬ ডিসেম্বর পুরো হবিগঞ্জ হানাদার মুক্ত হয়, তবে বাহুবল মনে হয় এ তারিখেই হতে পারে। ঝঁনরৎ উবন নামের একজন লিখেন, ৬ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ, নবীগঞ্জ ও চুনারুঘাট মুক্ত হয়েছিল কিন্তু বাহুবল কবে হয়েছিল সঠিক তথ্য পাওয়া যায় না । অনযরলরঃ ইযধঃঃধপযধৎলুধ নামের একজন লিখেন, একটি মত হচ্ছে ৪ ডিসেম্বর। আবার আরেকটি মত হচ্ছে ৭ অথবা ৮ ডিসেম্বর। কিন্তু কেউ এর আগে বিষয়টি নিয়ে ভাবেন নি। এরফলে সঠিক সমাধানেও পৌঁছানো যায় নি। আপনি বাহুবল মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সঙ্গে বৈঠকে বসে এবং তাদের মত নিয়ে ৪, ৭ অথবা ৮ ডিসেম্বরের যেকোনো একদিন ঘোষনা দিয়ে দিন। আমরা মানব। আব্দুল আউয়াল তহবলিদার সবুজ নামের একজন লিখেন, আমরা জেনে এসেছি ৮ ডিসেম্বর।এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য থাকতে পারে বাহুবল পাবলিক লাইব্রেরির সাবেক লাইব্রেরিয়ান কবি আব্দুল হান্নান রেণু সাহেবের কাছে। কধুর অষভঁ নামের একজন লিখেন, ৬ ডিসেম্বর বাহুবল মুক্ত হয়। বাহুবল উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবুল হোসেনের ব্যবহৃত মোবাইলে বার বার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। বাহুবল উপজেলা নির্বাহী অফিসার আয়েশা হক বলেন, গতকাল রোববার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারসহ কয়েকজনকে নিয়ে বসছিলাম, কিন্তু প্যাসিফিক মুক্ত দিবসের কোন তারিখ উনারা দিতে পারেননি। তিনি বলেন, একটি তারিখ তো আছেই আমি ঘেটে বের করব।

Share on Facebook
নিউজটি 9 বার পড়া হয়েছে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বশেষ সংবাদ

হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেন ঝাড়ুদার! একই সূই দিয়ে সেলাই করলে কোন সমস্যা হয়না দাবি হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের

উন্নয়নের স্বার্থে আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে হবে ॥ এমপি আবু জাহির

হবিগঞ্জ জেলা আ. লীগের সম্মেলন: সাধারণ সম্পাদক পদে আরও ৩ নতুন মুখ

শারমিন রুম্পার কথিত প্রেমিক সৈকত চার দিনের রিমান্ডে

নবীগঞ্জে ৫ পলাতক আসামী গ্রেফতার

বানিয়াচংয়ে এক কিশোরী ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা আদালতে পিতা-পুত্রের বিরুদ্ধে মামলা

দুর্নীতি করলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না : দুদক চেয়ারম্যান

রুদ্ধশ্বাস ফাইনালে সোনা জিতলো বাঘিনীরা

৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে মালয়েশিয়া থেকে অবৈধ বাংলাদেশিদের ফিরতেই হবে

শীতের সন্ধ্যায় হবিগঞ্জের অলি-গলিতে পিঠা উৎসব

নবীগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের সংঘর্ষে ৮ জন আহত

আর মাত্র ৪দিন বাকি হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলন: এখনও হয়নি ভোটার তালিকা

চুনারুঘাটের সাতছড়ি উদ্যানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও বৃক্ষরোপন অভিযান

নবীগঞ্জে শীত যত ঘনিয়ে আসছে ভীড় বাড়ছে পুরাতন কাপড়ের দোকানে

মাধবপুরে মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী পাঠানের মৃত্যুতে শোকসভা

কর্মস্থলে বিলম্বে পৌঁছলে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কাটা

দালাল শাহীনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ সৌদি আরব ফেরত হুসনার

রুম্পার মৃত্যু বন্ধু সৈকত আটক

পোস্টার ছাপিয়ে নেতা হওয়া যাবে না ॥ কাদের

সাংবাদিক শফিকুল আলম চৌধুরীর মায়ের ইন্তেকাল ঃ শোক প্রকাশ

সম্পাদক ও প্রকাশক ॥ মোঃ ইসমাইল হোসেন
প্রাইম অফসেট প্রিন্টিং প্রেস পৌর মার্কেট হবিগঞ্জ থেকে মুদ্রিত ও গার্নিং পার্ক হবিগঞ্জ হতে প্রকাশিত।।
মোবাইল ॥ ০১৭১৫-০০২৮৮৬
ইমেইল- swadeshbarta.hob@gmail.com
website : www.swadeshbarta.com